শাহীন রেজা
January 17, 2026 at 3:38 AM
আমাদের প্রিয় গোটিয়া এস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক তার বহুমাতৃিক যোগ্যতার কথা আমরা কাছ থেকে উপলব্ধি করেছি শুধু তাই নয়,অনেক স্কুল /কলেজ প্রতিষ্ঠানে গেলে অনেক শিক্ষক বলতো তোমরা আলী আকবর সাহেব এর ছাত্র তাহলে তো ইংরেজীতে ভালো করবেই। আমরা সত্যি গর্বিত এরকম অনেক শিক্ষক আমাদের প্রতিষ্ঠানে পাওয়ার জন্য। হেড মাষ্টার এস এম আলী আকবর স্যার যখন কোন ক্লাসে যেতেন, পড়ে যেত পিনপতন নিরাবতা, পড়া আদায়ে কি মনোমুগ্ধকর কৌশল, কঠর সুচারু দৃষ্টি, কি মনোযোগী / কোয়ালিটি পাঠদান ছিল, আ্যসেম্বলি করা , হেড স্যারের পাঠদান মনিটরিং করা কি অভূতপুর্ব, খুবই,চমৎকার, সুন্দর, সুশৃঙ্খল ছিল । আমাদের প্রিয় রহমান স্যার,প্রয়াত জহুরুল স্যার, প্রয়াত গোলজার স্যার, সাইফুল স্যার,আশরাফ স্যার, তাহের স্যার কত আকুতি নিয়ে আন্তরিকতা নিয়ে, শাসন দিয়ে সবকিছু মিলে ষ্টান্ডার্ড ব্যবস্হাপনায় অনুকুল, আনন্দ পরিবেশে আমরা পড়াশোনা করেছি। এখনও প্রায়শই মনে পড়ে প্রিয় আমজাদ স্যারের পুরাতন পড়া না পারায় স্যার বলতো জং ধরে গেছে বাপু, জং ছারাও (বেত মারতো), বাংলাদেশের ম্যাপ কি গুরুত্বের সাথে ভুগোল ক্লাসে পড়াতো।স্যারের বাসায় দেওয়া পড়া না হয়ে থাকলে সেদিন আমরা বলতাম স্যার ম্যাপ ভুলে গেছি, স্যার রেগে গিয়ে বলতো কি কও বাপু,ম্যাপ ভুলে গেলে তো দ্যাশ ই ভুলে যাইবা এই বলে ব্লাক বোর্ডের দিকে যেতেন এবং স্যার বাংলাদেশের ম্যাপ আকতেন পাই পাই করে উত্তর মেরু দক্ষিণ মেরু বুঝাতেন। দিন বদলেছে, আবেগ বদলেছে অথচ আমাদের প্রয়াত গোলজার স্যার জহুরা উপন্যাস পড়াতে গিয়ে ছুটির আধা ঘন্টা পার করে ফেলেছে, স্যার বলতো "পড় পড় দশ মাস গোয়িং " আবুল কাকা, জামাল ভাই অনেক স্নেহ করতেন।
অনুমোদিত