অলি আহমেদ
January 17, 2026 at 3:36 AM
মেঘে মেঘে বেলা অনেক হয়েছে। পেরিয়ে গেছে জীবনের বহু বসন্ত। মিলেনা জীবনের খেরোপাতায় লিখে রাখা হিসাব। মিলেনা প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির খুচরো দানা। আমি এখন ভাবি আমার জীবনের যত অপ্রাপ্তি তার জন্য আমি ছাড়া আর কেউই দায়ী নয়। জীবন চলার প্রতিটি বসন্তে আমি যত সিদ্ধান্ত নিয়েছি একা এর জন্য আমি কাকে দায়ী করে অপ্রাপ্তির হিসাব মিলাবো!
আজ পিছনে ফিরে জীবনের বসন্তের পাতায় পাতায় অশ্রুসজল চোখ বুলিয়ে ভাবি আমার সিদ্ধান্ত কি সবই ভুল ছিল! না আমি তো দেখতে পাই সবই ছিল সঠিক!
শুধু ভুল জায়গায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর সঠিক জায়গায় নিয়েছি ভুল সিদ্ধান্ত।
রাতের গভীরতায় যখন পৃথিবীবাসী চোখের পাপড়ি বুঝে স্বপ্নের দেশে সুখ নিদ্রায় আমি তখন আমার ভুল সিদ্ধান্ত আর পাপের হিসাব/নিকাশ করি। যদি আমি সেদিন নিজ শহর ছেড়ে না যেতাম তাহলে কি হত? হয়তো কিছুই হতো না। আবার হতে পারতো এমন! গ্রাম থেকে আসা হাড় লিকলিকে বোকা ছেলেটা হয়তো কলেজ টপার হয়েছে! না এমন হতো না। পিছনের বেঞ্চে বসা কোন মধ্যম মানের কেউ হয়ে জীবনের সিড়ি বেয়ে যেতাম।
তবুও হয়তো ভালো হতো। জীবনের চাহিদা কম থাকতো। মাথার ঝাকড়া চুলে বিদেশি জনশন হেয়ার ওয়েল না, দেশি খোলা অথবা হাস মার্কা নারিকেল তেল দিয়ে চুলে সিথি কাটতাম। শহরের চাকচিক্যময় লাইটিংয়ের আড়ালে বিদেশি খাবারের পিছে পয়সা খরচ করার বিলাসিতা থাকতো না। সেইই ভালো ছিল।
এখন নিজের বলতে এই আমি ছাড়া আমার কেউ নেই।
যারা আছেন সবই মিথ্যে মায়ায় পড়ে এক অলঙ্ঘনীয় বাধনে আটকা পড়ে।
দুনিয়া ছুটছে সুখের পিছনে নিরন্তর। আসলে কি সুখ বলতে কিছু আছে? নাকি সবই মায়া আর ভ্রম! সেকেন্ডের ব্যবধানে যে সুখের পরিসমাপ্তিতে ক্লান্ত দেহ এলিয়ে পড়ে তখন প্রেয়সীর মুখও যে ধূসর ঝাপসা লাগে। এও কি সুখ! যদি না হয় তাহলে মানবাত্মা কি সুখ পাবে!
অর্থ আর বিত্ত যদি সুখের ঠিকানা হয় তাহলে সমাজের ঐ উপর তলায় যেখানে সুখ গড়াগড়ি খেয়ে লুটে পরে সেখানে জীবনের এত হানি কেন? অর্থ দিয়ে সুখ কিনতে পারেনি তাই?
সেই শৈশবে। যখন বুঝতে শিখিনি জীবন সংসার। একটি বাশের বাশি নিয়ে দিগন্তের ওপাড়ে খোলা মাঠে রাখাল গরু চড়াতো। দিনমান বাশির করুণ সুরে প্রকৃতি কেদে উঠতো, আর রাখালের কপালে যে নির্ভারতার ছাপ দেখা যেত সেটা কি সুখের আকা কোন রেখা! নাকি অপ্রাপ্তির দীর্ঘশ্বাস মেশানো বলিরেখা?
মানুষ নিরন্তর ছুটে চলেছে। ছুটছি আমিও। গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্যেহীন।
আজ পিছনে ফিরে জীবনের বসন্তের পাতায় পাতায় অশ্রুসজল চোখ বুলিয়ে ভাবি আমার সিদ্ধান্ত কি সবই ভুল ছিল! না আমি তো দেখতে পাই সবই ছিল সঠিক!
শুধু ভুল জায়গায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর সঠিক জায়গায় নিয়েছি ভুল সিদ্ধান্ত।
রাতের গভীরতায় যখন পৃথিবীবাসী চোখের পাপড়ি বুঝে স্বপ্নের দেশে সুখ নিদ্রায় আমি তখন আমার ভুল সিদ্ধান্ত আর পাপের হিসাব/নিকাশ করি। যদি আমি সেদিন নিজ শহর ছেড়ে না যেতাম তাহলে কি হত? হয়তো কিছুই হতো না। আবার হতে পারতো এমন! গ্রাম থেকে আসা হাড় লিকলিকে বোকা ছেলেটা হয়তো কলেজ টপার হয়েছে! না এমন হতো না। পিছনের বেঞ্চে বসা কোন মধ্যম মানের কেউ হয়ে জীবনের সিড়ি বেয়ে যেতাম।
তবুও হয়তো ভালো হতো। জীবনের চাহিদা কম থাকতো। মাথার ঝাকড়া চুলে বিদেশি জনশন হেয়ার ওয়েল না, দেশি খোলা অথবা হাস মার্কা নারিকেল তেল দিয়ে চুলে সিথি কাটতাম। শহরের চাকচিক্যময় লাইটিংয়ের আড়ালে বিদেশি খাবারের পিছে পয়সা খরচ করার বিলাসিতা থাকতো না। সেইই ভালো ছিল।
এখন নিজের বলতে এই আমি ছাড়া আমার কেউ নেই।
যারা আছেন সবই মিথ্যে মায়ায় পড়ে এক অলঙ্ঘনীয় বাধনে আটকা পড়ে।
দুনিয়া ছুটছে সুখের পিছনে নিরন্তর। আসলে কি সুখ বলতে কিছু আছে? নাকি সবই মায়া আর ভ্রম! সেকেন্ডের ব্যবধানে যে সুখের পরিসমাপ্তিতে ক্লান্ত দেহ এলিয়ে পড়ে তখন প্রেয়সীর মুখও যে ধূসর ঝাপসা লাগে। এও কি সুখ! যদি না হয় তাহলে মানবাত্মা কি সুখ পাবে!
অর্থ আর বিত্ত যদি সুখের ঠিকানা হয় তাহলে সমাজের ঐ উপর তলায় যেখানে সুখ গড়াগড়ি খেয়ে লুটে পরে সেখানে জীবনের এত হানি কেন? অর্থ দিয়ে সুখ কিনতে পারেনি তাই?
সেই শৈশবে। যখন বুঝতে শিখিনি জীবন সংসার। একটি বাশের বাশি নিয়ে দিগন্তের ওপাড়ে খোলা মাঠে রাখাল গরু চড়াতো। দিনমান বাশির করুণ সুরে প্রকৃতি কেদে উঠতো, আর রাখালের কপালে যে নির্ভারতার ছাপ দেখা যেত সেটা কি সুখের আকা কোন রেখা! নাকি অপ্রাপ্তির দীর্ঘশ্বাস মেশানো বলিরেখা?
মানুষ নিরন্তর ছুটে চলেছে। ছুটছি আমিও। গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্যেহীন।
অনুমোদিত